করোনা বিধি-নিষেধ মেনেই পুরীর রথযাত্রা উৎযাপন
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : পুরীতে করোনা বিধি-নিষেধ মেনে ভক্তশূন্য রথযাত্রা পালিত হবে। সূত্রের খবর, গত বছর শেষ মুহূর্তে পুরীর রথযাত্রার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছিল সুপ্রিমকোর্ট। ভক্তশূন্য রথযাত্রা উৎযাপন হয়। এবারও সেভাবেই রথযাত্রা সম্পন্ন করার নির্দেশ জারি করেছে ওড়িশা প্রশাসন। এক্ষেত্রে আরও জানা যায়, টিকা নিয়ে এবং রথের দু-দিন আগে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করিয়ে ন্যূনতম সংখ্যায় সেবায়েত, পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মী রথযাত্রার কাজ সারবেন।
সূত্রের আরও খবর, পুরীতে রথ চলার রাজপথ ‘বড় দাণ্ডে’ দূরত্ব রেখে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে পর পর বলভদ্র, সুভদ্রা ও জগন্নাথদেবের রথ চলবে। একটি রথ শারীরিক দূরত্ব রেখে সর্বাধিক ৫০০ জন সেবায়েত টানতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। ওড়িশা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রথযাত্রা সংক্রান্ত ৩ পাতার স-বিস্তার নির্দেশ প্রকাশিত হয়েছে। পুরী ছাড়াও ওড়িশার অন্যত্র ছোট-বড় রথ টানায় বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকছে।
উল্লেখ করা যায়, আগামী ২৪ জুন জগন্নাথের স্নানযাত্রা। আগামী ১২ জুলাই রথযাত্রা। এক্ষেত্রে জানা যায়, গুন্ডিচা মন্দিরের আচার-অনুষ্ঠান পর্ব সম্পন্ন করে ২৩ জুলাই মন্দিরে ফিরবেন জগন্নাথ। এর আগে জগন্নাথ মন্দিরে দর্শন চালু হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না বলেই জানিয়েছেন প্রবীণ সেবায়েত তথা প্রশাসন নিযুক্ত মন্দিরের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রামচন্দ্র দয়িতাপতি।
এ বিষয়ে আরও জানা যায়, এপ্রিল মাসে করোনা আবহে দ্বিতীয় ঢেউয়ে রাজ্যে লকডাউন শুরুর পর মন্দিরে দর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আচার-নিয়ম মেনে ও পরম্পরা রক্ষা করে অক্ষয় তৃতীয়াতেই রথ তৈরির কাজ শুরু হয়। রথ নির্মাতা সেবায়েতদের করোনা পরীক্ষা করানোর পর সেই কাজ চলছে। ওড়িশা প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে, পুরীর রথযাত্রা কোনও উৎসব নয়। জগন্নাথ-সংস্কৃতির স্মারক। ভক্তশূন্য অবস্থাতেও রথযাত্রার পরম্পরা অটুট রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে। রথযাত্রার অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলিতে পুরী ও তৎসংলগ্ন এলাকায় কার্ফু বলবৎ থাকবে।

